Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Showing posts with label ব্লগ ব্লগানি. Show all posts
Showing posts with label ব্লগ ব্লগানি. Show all posts

মে মাসের ষোল তারিখ; আসে আর চলে যায় ..


মে মাসের ষোল তারিখটা আসে আর চলে যায়... আসার আগে, অনেক আগে থেকেই আমি অপেক্ষায় থাকি... অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হলেও কেটেই যায়। ষোল তারিখটাও তেমনি এসেই যায়... যে কারণে এই দিনটি বিশেষ একটা দিন, যার জন্যে এই দিনটা বিশেষ একটা দিন, তাকে ছাড়াই এই দিনটা আসে আর চলে যায়...
একটা একটা দিন গুনে শেষ পর্যন্ত আবার এসেছে ষোলই মে। একটু আগে ফোনে জানলাম আজকে নাকি নাইট শিফটেও কাজ হবে। রাগ হয়। রোজই তো এই চলছে। বোধ হয় টানা

ক্রিং ক্রিং টেলিফোন হ্যালো হ্যালো ...

ক্রিং ক্রিং বেজে ওঠে সেলফোন। ডাক আসে বহুদূরের সেই ছেলেবেলা থেকে। বিস্মৃতির ওপার থেকে। অচেনা কন্ঠ জানতে চায়, সামরানের সাথে কথা বলছি কি? আমি আনোয়ার! আনোয়ার? আমি চিনতে পারি না। আরে, মনে নেই, আমরা একসাথে মাঠে খেলতাম! আমি সিলেটের আনোয়ার!

আমি একছুট্টে চলে যাই ছেলেবেলায়, খুঁজতে থাকি চেনা মুখগুলো। বিস্মরণের গলিগুলোতেও ঘুরে আসি একপাক। আতিপাতি করে খুঁজি সব ঘিঞ্জি গলি। কিন্তু কোথাও আমি খুঁজে পাই না

এক ছোট্ট আলাপ জিকোর সাথে

কলকাতায় ফেরার আগের দিন দুপুরবেলায় চলমান দূরভাষে এক অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন। কে হতে পারে ভাবতে ভাবতে হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো, ......বৌদি কথা বলছেন কী? বৌদি শুনে প্রথমে ভাবলাম রঙ নাম্বার কিন্তু পরক্ষণেই খেয়াল হল, বৌদির আগে যে নামটি ইনি উচ্চারন করেছেন সেটি আমারই! কে বলছেন জানতে চাইলে জবাব এলো, আমি জিকো বলছি। সাথে সাথেই চিনতে পারলাম, ইনি ইশতিয়াক জিকো! আরও বললেন, আমাকে দাদা মেল করে আপনার

এই পুচকেটা আমার বোনের


এই পুচকেটা আমার বোনের।
রবিবার সন্ধ্যেয় সে পৃথিবীর আলো দেখে।
ওর আসার কথা ছিল আরও একমাস পরে কিন্তু ওর বোধ হয় ভীষণ তাড়া ছিল পৃথিবীর আলো দেখার যার জন্যে সে এক মাস আগেই চলে আসে।
আমার বোন বলে, ওর নাকি খালামণিকে দেখার তাড়া ছিল। একমাস পরে এলে সে খালামণিকে দেখতে পেত না তাই একমাস আগেই...
সেদিন সন্ধ্যেয় যখন ওটি থেকে বেরিয়ে ডাক্তার আমার হাতে ওকে দিলেন, আমি ওকে দেখে একেবারে অভিভূত! কী মিষ্টি কী মিষ্টি!

কলকাতা বইমেলা ২০০৭

গতকাল বইমেলা ঘুরে এলাম। এতদূরের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যাওয়া ও আসার হ্যাপা পুষিয়ে গেল বইমেলাকে বইমেলারই মত দেখে। দুপুর দুপুর গেছি, তখনও মেলা অতটা জমেনি, কিছু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইতঃস্তত, এদিক-সেদিক । মাঝ ফেব্রুয়ারীতে বৃষ্টির হাত ধরে ফিরে আসা শীতের শেষ দুপুরে হাল্কা রোদের ওম গায়ে গায়ে মেখে এগোই ষ্টেডিয়ামের গা ঘেঁষে এগিয়ে যাওয়া সরু পীচের রাস্তা ধরে। বইএর দোকানগুলো বেশ ফাঁকা ফাঁকা, বৃষ্টির হাত থেকে

এ ও আমার গোপনকথা


এবারের গল্পের ও দুই দুস্কৃতির একজন হচ্ছেন আমার মেজদি ৷ আমাদের দুজনের ই মেয়ে দুটি তখন সবে স্কুল যেতে শুরু করেছে। মেজদির মেয়ে আর আমার মেয়ে প্রায় একই বয়েসি ৷ দুজনে মহা উত্সাহে তাদের স্কুলে দিতে যাই, আনতে যাই৷ স্কুলের প্রয়োজনীয় যে কোনো জিনিস কিনতে দুজনে প্রায় রোজই নিউ মার্কেটে যাই ৷ সে প্রয়োজন যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন ৷ স্কুল থেকে ফিরে দুটি ক্ষুদেই খেয়ে দেয়ে ঘুমায়, আমরা সেই ফাঁকে বাইরের

গোপন কথাটি

আমি তখন সবে কলকাতা এসেছি এক বছর হল, মেয়ে খুব ছোট, তাই বাইরে খুব কম বেরুনো হত, ডিসেম্বরের শেষ সেটা, বড়দিন পেরিয়ে গেছে, এখানে বড়দিনের হল্লা আমি বাড়িতে বসেই টের পেয়েছি, মেজ জা, যাকে আমি মেজদি বলতাম, তার কাছে গল্প শুনি, পড়শী হিন্দুস্থানী মেয়েটা এসে নানা গল্প শোনায়, আমি তার আদ্ধেক বুঝি, আদ্ধেক বুঝি না, কিন্তু আমার মন চঞ্চল হয় বাইরে বেরুনোর জন্যে, দেখার জন্যে !

মেজদির কাছ থেকে শুনেছি, গোটা
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks