Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Showing posts with label পায়ের তলায় সর্ষে. Show all posts
Showing posts with label পায়ের তলায় সর্ষে. Show all posts

পায়ের তলায় সর্ষে- মৃদু মন্দে মন্দারমণি


এ যেন ঠিক কোনো নির্দিষ্ট সৈকত নয়, বালি-ফেনায় মাখা গর্জনের নির্জনতায় এক ফালি সময়। তা লেখাও হয়েছিল সে সমুদ্রতটের কিশোরীবেলায়, আজ থেকে বছর পাঁচেক আগে, ফলে এখনকার সঙ্গে হয়ত কোন মিলই নেই সেই অর্জনটুকু ছাড়া। এই সমুদ্র গায়ে মেখে জলপরী হয়ে যাই আমি, এই প্রথমবার৷---------
হাওয়ায় উড়ুক চুলজলোচ্ছাসে দেহের বল্কলহোক এলোমেলো।অন্তহীন অপেক্ষার শেষেনা হয় সমুদ্র আজতোমাকেই খুঁজে পেলো অপসৃত আবরণে,সৈকতের নির্জন

ফুকোওকার চিঠি-০৩


প্রিয় পাঠক,
লিখব লিখব করে লেখা আর হয়ে উঠছে না এই চিঠি। দু-এক লাইন লেখা হয়, খসড়ার খাতায় গিয়ে জমা হয়। এই সার্বক্ষণিক বিষন্ন, মেঘলা আকাশ, কাছে-দূরের ও‌ই ঘন সবুজ পাহাড়, যত্র-তত্র ফুটে থাকা নাম না জানা অসংখ্য, অজস্র ছোট-বড় ফুল, যখন তখন বিনা নোটিশে নেমে পড়া এই বৃষ্টি যেন বলে দেয়, এইখানটায় চুপটি করে বসে থাকো, থাকো, থাকো তুমি আমার সঙ্গে...
মন যে কেমন করে তাহা মনই জানে।। 
পাশের স্কুলবাড়িটিতে সকাল থেকে

ফুকোওকার চিঠি-০৪


পর্ব নম্বর দুই এবং তিন পরে লেখা হইবে, এই ইস্টাইলটুকু জেবতিক আরিফ হইতে ধার করা হইল।সেই কবে যেন একদিন চিঠি লিখতে বলেছিলে। সে কবে? ভুলে গেছি.. বলেছিলে, চিঠিটা এবার লিখেই ফ্যালো, জানি তুমি পারবে, শুরুটা আমি করে দিয়ে গেলাম... সেদিন চিঠি লেখা হয়নি আর তারপরেও না। কবে যেন একবার লিখেছিলাম একটা চিঠি আর তারপর ফিকে নীল খামে করে পাঠিয়েও ছিলাম কিন্তু সে চিঠির উত্তর আসেনি, ফেরত আসেনি সে চিঠি আজও.. 
বাথরুমে

ফুকোওকার চিঠি

এই বছরের শুরুর থেকেই রিতিমত দৌড়ের উপর আছি। ঠিক এই বছরের শেষ না, ঠিকঠাক বললে বলতে হবে, গত বছরের শেষ থেকে। ডিসেম্বরের শেষে ঢাকায় গিয়ে জানুয়ারীর শেষে কলকাতা। ঠিক তিন সপ্তাহ পরে মাঝ ফেব্রুয়ারীতে আবার ঢাকা। পুরো এক মাস। বইমেলা গেল। মেলা শেষ হওয়ার পরেও আমার দৌড় শেষ হলো না। গোটা একটা মাস ঢাকায় থাকা আমার এই প্রথম। আর বাংলাদেশে একমাস আছি কিন্তু আব্বা আম্মার কাছে গোটা একমাসে মাত্র একদিন, সেটাও এই প্রথম।

আপকো দেখকর তো যমীন ডর জায়েগী, আপ যমীন সে কিউ ডরতি হ্যায়


মাস দুই আগে থেকেই টিকিট কাটা ছিল শিলিগুড়ির। শুভজিতের বোনের বৌভাতে কনেযাত্রী হিসেবে নিমন্ত্রিতের তালিকায় নাম ছিল আমাদের জোড়ে। সেইমত শুভ টিকিট কেটে রেখেছিল আর টাইম টু টাইম রিমাইন্ডারও দিচ্ছিল। যাব বলে কথা দিয়েছিলাম দুজনেই। না যাওয়ার কোন কারণ নেই। দুজনেই বেড়াতে ভালবাসি, ফাঁক পেলেই এদিক ওদিক বেড়িয়ে পড়ি আর এ তো বন্ধুদের সাথে দল বেঁধে বেড়াতে যাওয়া। উত্তরবঙ্গে আমার আগে যাওয়া হয়নি কাজেই ওটা

মৃদু মন্দে মন্দারমণি

মন্দারমণি ৷ এক কিশোরী, সমুদ্রতট৷ সদ্য সদ্য গজিয়ে ওঠা এই সৈকতে সবে লোকজন যেতে শুরু করেছে, নিয়মিত৷ সমুদ্র পাড়ের চেনা দৃশ্য ভ্যানিশ, না ট্রলার নৌকা, না শুটকির গন্ধ৷ স্নানাভিলষীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে স্নান করেন সমুদ্রে৷ ঢেউএর পরে ঢেউ এসে ভাঙে আর উচ্ছ্বাস বাড়ে স্নানরত ছেলে-মেয়েদের৷ নারী ও পুরুষদের৷ বাবার হাত ধরে সমুদ্রস্নান করতে আসা ছোট্ট শিশুটি তার হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে খেলা করে জল নিয়ে, তার খিলখিল

আমি মেলা থেকে কোন বাঁশি কিনে আনিনি

এ'বছর মকর সংক্রান্তিতে পুরুলিয়ায় গেছিলাম। মেলা দেখতে। প্রচুর মেলা বসে সেখানে। মূলত সাঁওতালদের। একদিনে দুটো মেলাই দেখা সম্ভব হয়েছিল। মাঠাবূরু'র মেলা আর জয়দেব'এর মেলা। পশ্চিমবঙ্গ আর ঝাড়খন্ডের সীমানায় জয়দেবের মন্দির। পাহাড়ের উপর মন্দির, নিচে মোটামুটি সমভূমিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এই মেলা। জয়দেবের মেলায় সকাল সকাল পোঁছে গেছিলাম, মেলা তখন সবে জমছে। পাহাড়ের ফাঁকে ফাঁকে উঁচু নিচু রাস্তা একে বেকে চলে গেছে পাহাড়ের

পায়ের তলায় সর্ষে - ফ্রেজারগঞ্জ






ছেলের জন্মদিন
ছিল, সারাদিনই প্রায় রান্নাঘরে কেটেছে, ক্লান্ত। ঘুম পাচ্ছে। এমন সময় হঠাৎ প্রস্তাব, কোথাও একটা যাওয়া যাক, এক বা দু’দিনের জন্যে, লোকাল
ট্রেনে করে এবং এখুনি বেরিয়ে পড়া যাক
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks