Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Showing posts with label স্মরণ. Show all posts
Showing posts with label স্মরণ. Show all posts

আমার সোনার ময়না পাখী, কোন দ্যাশেতে উইড়া গেলা রে, দিয়া মোরে ফাঁকি...


নভেম্বর মাস জুড়ে মৃত্যুর ছায়া। মৃত্যুর গন্ধ।

দিকে দিকে জগদ্ধাত্রীর আহবান। প্যান্ডেল। চন্দননগরের আলোশিল্পিদের সবটুকু উজাড় করে সাজিয়ে দেওয়া আলো। মাইকে হিন্দি সিনেমার আইটেম সঙ। কোথাও বা আগমনী। আসি আসি শীত। কুঁড়ি না মেলা ফুলকপি আর ল্যাজায় ফুল সমেত থোকা থোকা শিম।

এতসবকিছুর সঙ্গে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসে মৃত্যু। নিঃশ্বাসে বাতাস কম। সেরিব্রাল। কমজোরী হৃদপিণ্ড। পড়ে পাওয়া ভাঙ্গা হাত। নার্সিং হোম।

যেখানে নতুন ভোরের অপেক্ষায় এক জীবন বিষাদ সিন্ধু



তখনো আলো ফোটে নি। তখনো সে বিছানায় এ’পাশ ও’পাশ করছে। জোর করে বন্ধ করে
রেখে রেখে চোখে একটা কেমন ব্যথা। বন্ধ চোখে সব অন্ধকার। চোখ খুললে –সেও
অন্ধকার। বন্ধ করে রাখা জানলা, জানলার পর্দা ভেদ করে রাত্রি নগরীর যতটুকু
আলো জোর করে ঢুকে পড়ছে ঘরে, যেন ওই অন্ধকারকেই আরো বেশী করে ভরাট করে
তুলছে। সে বিছানায় কেবল এ’পাশ ও’পাশ। কখনো বা পাশের বালিশটা নিজের বুকে
চেপে ধরছে। না, ভুল হল কি তোমার? এখানে এখন

মনে পড়ে, মন পড়ে থাকে শালুক পদ্মের ফাঁকে ফাঁকে..



ইন্দোদাদার পরণকথার দেশ আর  এক ঝিল পদ্ম...
বিদ্যাসাগর
সেতুর উড়ালপুলময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য, অজস্র ভাঙা কাঁচের টুকরোর উপর দিয়ে,
উড়ালপুলের চড়াই উৎরাই ভেঙে ইত্যাদি ইত্যাদি করে চার কিমি হাঁটলে তবেই পৌঁছানো যায়
এক বিলাসবহুল উদ্যানে। সেই উদ্যানের ভিতরে কোথাও
পথ বকুল বিছানো, যে পথে সে গিয়াছে চলে.. কোথাও নাম না জানা ফুলে চাপা
পড়ে যাওয়া সরু পিচরাস্তা তো কোথাও শুকনো পাতার মোটা গালিচা পাতা। যে পথে চলতে

সূর্য ডোবার সাথে সাথে অস্ত গেল ছোট্ট একটি প্রাণও।।

তিনদিনের শিশুপুত্র কোলে নার্সিং হোম থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছিল গর্বিত বাবা-মা। অনুপরিবারটির সদস্যসাংখ্যা দুই থেকে আড়াই হল। নার্সিং হোম থেকে বাবুটা মায়ের কোলে চেপে নানুবাড়ি গেল সন্ধেবেলা। বাবা তার ফিরে গিয়েছিল তাদের ছোট্ট বাসাটায়, যে বাসায় আর ক'দিন পরেই সে যাবে মায়ের কোলে চেপে। গ্রামে, তার দাদার বাড়িতে তখন তার নাম রাখা নিয়ে নানা রকম আলোচনা চলছে। দাদা তার যে নাম বলেন, সেটা কাকার পছন্দ হয় না আবার কাকা
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks