Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Showing posts with label দিনপঞ্জি. Show all posts
Showing posts with label দিনপঞ্জি. Show all posts

মনও দে যৈবন দে, দুইট্টো ডানা লাগাই দে...






প্রায়
প্রতিদিনই সকালে ঘুম ভাঙ্গে এক একটা গানের লাইন নিয়ে। কোনও গানের পরের
লাইন মনে নেই। কোনও গানের সুর মনে আসে না শুধু কথাটুকুই মাথার ভিতর ঘুরপাক
খায়। আজ যেমন এই লাইনটা। 'মনও দে যৈবন দে দুইট্টো ডানা লাগাই দে...' এই
কথাটুকুই রয়েছে সুরসহ। তার পরে আর কিহু মনে বা মাথায় নেই। একটু ভুল বললাম। এই লাইনটা, না ঠিক লাইনটা নয় আর আজ সকাল থেকেও নয়, কাল রাত থেকেই এই সুর আর এক নারীর মগ্ন হয়ে গাওয়া এই

শূন্য থেকে শুরু হয়ে শূন্যেতেই যায় ফিরে


দিন বদলের পালা নাকি পালা বদলের দিন?
সে যাই হোক না কেন বৃত্ত যেন একটাই
ঘুরছে ফিরছে আবার ঘুরছে আবার ফিরছে
সময়ের যাঁতায় পিষছে হৃদযন্ত্র।
হৃদয় তো নয় যেন থার্মোমিটারের পারদ
সহস্র কুচিতে ছড়িয়ে পড়ছে
অদৃশ্য যাদুকাঠির পরশে জুড়ছে
আবার ভাঙছে। অবিরাম। অবিরত।

আধখানা চাঁদ আমার সঙ্গে এলো


আধখানা চাঁদ রেখে এলাম তোমার জানালায়
অর্ধেক তার আমার সঙ্গে এলো

তোমার গান শুনবে বলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জোছনা বসে আছে
পূবের বারান্দায়, দক্ষিণের জানালায়, মাদুরকাঠির পাটিতে 
আর অগোছালো শয্যায়...

গাইবে কি একটা গান? 
আনমনে, অকারণে...

নিয়ম মেনে আধখানা চাঁদ আমার সঙ্গে এলো
একলা, না যেন ফিরি আমি ঘরে...



খাঁচার ভিতর অচিন পাখী কমনে আসে যায়


মাঝে
মাঝে নিজের শরীর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ি আমি। ইচ্ছে বা অনিচ্ছে কিছুই কাজ করে না।
ব্যস বেরিয়ে পড়ি। খুব বেশি দূরে যাই না। খানিকটা দূরে
দাঁড়িয়ে অন্য আমাকে দেখি। খুব অবাক লাগে। নিষ্পলক তাকিয়ে থাকি নিজেরই দিকে।
খানিক দূরে যে আমি দাঁড়িয়ে থাকি সেই আমাতে কোনো অনুভূতি কাজ করে
না। কোনো ভাবনাও আসে না। যেন একটা মৃত শরীর বা মৃত আমি। ঠাণ্ডা আর
নিরুত্তাপ। যেন কোনো অদৃশ্য ইশারায় হাত নড়ে, পা নড়ে, হাতের
কাজ

'হে রাম এ যে কুচো চিংড়ি গো!'







প্রাতঃভ্রমণের
সঙ্গী শিখাদি এন্ড মি, প্রায় প্রত্যহ বোটানিকাল গার্ডেন একনম্বর লঞ্চঘাটের
বাঁধানো সোপানে বসিয়া চা পান করি। শিখাদি মাছের নৌকা দেখিলেই উচাটন হয়,
প্রায় রোজই। সুবর্ণরেখাকে মনে করিয়া, সেই নদীর মৎসকূলকে স্মরণ করিয়া দুঃখী
হয়। আজ এক পাইকার ঘাটে দাড়াইয়া  অদূরে নোঙর
ফেলিয়া দাঁড়াইয়া থাকা একখানি ছোট্ট জেলে নৌকার সমুখে দাঁড়াইয়া থাকা 
শাট-পেন্টুলুন পরিহিত এক সজ্জনের সহিত মোবাইল

আনো রে গুয়া-পান কাটো রে খাই..




ফ্রিজে একটা পান পড়ে আছে বেশ কিছুদিন ধরে।
সাজা পান। মিষ্টি পাতা, ভেজা সুপুরি, চমন বাহার, অল্প মৌরী, আর সামান্য ঝিরিকাটা
সুপুরি। টুকরো খবরের কাগজে মোড়া, পলিথিনের ছোট্ট পাউচে ঢোকানো। কতদিন আগেকার পান?
হবে হয়ত সাত-আটদিন বা তারও আগে-পরের। মনে নেই। মনে করার চেষ্টাও নেই অবশ্য।
সবকিছুই মনে রাখতে হবে এমন তো কোনও কথা নেই..পানটা
পড়ে আছে কারণ খেতে ভুলে গেছি। মনেও পড়েনি পান খাওয়ার কথা। পান যে আছে, এটাও

যন্ত্রণার দিনগুলিতে..




বেশ কিছুদিন বাড়ি থেকে বেরুইনি। বাইরের
পৃথিবী বলতে এক জানালা আকাশ, চিলতে বারান্দার ওধারের বাতাসে তালপাতাদের দোল খাওয়া, দক্ষিণের জানালার ওধারে একতলা বাড়িটির ছাদে নাইটি পরা কিশোরী মেয়েটির যখন তখন ঘোরা ফেরা, খানিক দূরের তিনতলা বাড়িটির উপর এক ছাদ ভর্তি পায়রা। অতিথি বলতে মাঝে মধ্যে রান্নাঘরের
একপাটি খোলা জানালা দিয়ে খাবারের খোঁজ বা জলতেষ্টায় ঢুকে পড়া একটা কাক। কদাচিৎ একটা
টুনটুনির ত্বরিৎ এঘর ওঘর

খামখেয়ালে দেওয়াল লিখন


গুলাম আলী গাইছেন। আমি পড়ছিলাম অদিতি ফাল্গুণীর হেরুকের বীণা।  ইন্দ্রাণীর
উইদাউট আ প্রিফেস। মাথার ভিতর শব্দের কুচকাওয়াজ। বাংলাদেশ বাংলাদেশ।
মোচ্ছব। মোচ্ছব। আমি সেই মোচ্ছবে শামিল নই। কোনোভাবেই নই।  অসমাপ্ত লেখার
ফোল্ডার ভর্তি লেখাগুলো সব আধখ্যাচড়া। দুই বা তিন প্যারাগ্রাফ। এর বেশি আর
এগোয় না। কিছুতেই এগোয় না।

নিশুথি রাত। ম্যালা রাত। কুকুরগুলোও ঘুমিয়ে পড়েছে কখন যেন। বহুকাল বাদে এমন
রাত।  মাথা

ফিসফিসিয়ে শীত এসেছিল


ফিসফিসিয়ে শীত এসেছিল, থেকেও গেল বেশ কিছুদিন। হিম কনকনে
উত্তুরে হাওয়ায় কাঁপিয়ে- ঝাঁপিয়ে দিচ্ছিল, মাঝে মধ্যেই অবশ্য চলে যাচ্ছিল
অন্য কোনোদিকে, অন্য কোথাও, কিন্তু আবার ফিরেও আসছিল। এবার যেন চলেই গেল
দুম করে। মাঘের সবে চব্বিশ। বাঘ পালাবে কেন, শীতই পালিয়ে গেল।


কমলালেবুর খোসাখানি টিপে চোখে জল ঝরিয়ে দেওয়ার দিন নেই আর। আমি এখন বড়
হয়ে গেছি বোধ হয়। সব ভুলে যাই তাও ভুলি না সেই উন্মাতাল গন্ধ নিয়ে চোখে

আমার আর গান শোনা হয় না


পার্বতী বাউল আর ফরিদা পারভীন।
প্রিন্সেপ ঘাট। শুনেছিলাম সেখানে গান হবে। গান হবে - এই কথাটা শোনারও
প্রয়োজন ছিল না। ফরিদা পারভীন, পার্বতী বাউল আর প্রিন্সেপ ঘাট। গান যে হবেই
এমনটা ধরেই নেওয়া যায়। গান শুনতে যাওয়ার আমন্ত্রন ছিল, যাব না
জানতাম। আমার তো বাড়ি যাওয়ার কথা। আমি তাই আরশীনগরে যাওয়ার কথা ভাবি না। 
কিছুই হয় না। বাড়ি যাওয়া হয় না।
গান শোনা হয় না। সামনে বসে শোনা হয় না ফরিদা পারভীন। লালন।

মনে পড়ে, মন পড়ে থাকে শালুক পদ্মের ফাঁকে ফাঁকে..



ইন্দোদাদার পরণকথার দেশ আর  এক ঝিল পদ্ম...
বিদ্যাসাগর
সেতুর উড়ালপুলময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য, অজস্র ভাঙা কাঁচের টুকরোর উপর দিয়ে,
উড়ালপুলের চড়াই উৎরাই ভেঙে ইত্যাদি ইত্যাদি করে চার কিমি হাঁটলে তবেই পৌঁছানো যায়
এক বিলাসবহুল উদ্যানে। সেই উদ্যানের ভিতরে কোথাও
পথ বকুল বিছানো, যে পথে সে গিয়াছে চলে.. কোথাও নাম না জানা ফুলে চাপা
পড়ে যাওয়া সরু পিচরাস্তা তো কোথাও শুকনো পাতার মোটা গালিচা পাতা। যে পথে চলতে

একটি খসড়া রচনা ও এক ঝড়ের কথা


সকালবেলায় এক বন্ধুর ফোন এল, বহুদিন বাদে। এমন
একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে সে যাচ্ছে, প্রায়, প্রায় সেই একই রকম সময় আমিও পেরিয়ে এসেছি
বলেই হয়ত আমার কথাই তার মনে পড়ল। একটা লেখা পড়ছিলাম প্রায় ওই সময়েই, মিশ্র একটা
প্রতিক্রিয়া হল, একসঙ্গে অনেক কিছু, অনেক, অনেক কিছু মাথায় ভীড় করে এল। ভুলে যাওয়া
বা ভুলতে চাওয়া সমস্ত, সমস্ত যন্ত্রণা একসঙ্গে মনে পড়ে গেল। বিদ্ধ করল আবার নতুন
করে। কোথাও কোনো বাতাস নেই, দম ফেলতে

তারে স্মরণ ও করি না/ স্বপনেও দেখি না আমি/ এ আমি সঙ্গে সঙ্গে/ এই অঙ্গে অঙ্গে রাখি আমি সারাক্ষণ..


আমার উচ্চতায় ভয়। চারতলা বাড়ির ছাদের রেলিং দিয়ে নিচের দিকে তাকালেও ভয় লাগে, তলপেট কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে, বুক ঢিপঢিপ। সেদিন সকালে হাঁটতে গিয়ে আন্দুলের দিকে যাওয়া অনেকটা উঁচু ফ্লাইওভারের রেলিংএর ধারে গিয়ে ভয়ে ভয়ে দাঁড়াই। নিচের দিকে তাকিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফ্লাইওভার আর তার মাঝে মাঝে আরও নিচে ফাঁকা জায়গা, সরু রাস্তার দিকে দেখতে গিয়ে আজ কেন কে জানে ভয় করল না। বরং ফ্লাইওভারের ফাঁক-ফোকরে পড়ে

মন খারাপ হলে ভূমিকম্প হয়..


একসময় মন খারাপ হলে কুয়াশা হতো, মেঘ জমত, বৃষ্টি হতো, এখন ভূমিকম্প হয়। খানিক আগেই ঢাকায়, ছোট বোন মণি'র সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানলাম, জাপানে নাকি আবার ভূমিকম্প হয়েছে। কোথায়, কতটা সেসব সেও বলতে পারল না, সকাল থেকে খবর দেখার বা শোনার সময় পায়নি। চিন্তায় আছে, ছুটকিটা যে জাপানেই থাকে। না। খবর আমিও দেখিনি বা শুনিনি। সময় পাইনি এমন নয়, টেলিভিশন চালানোর ইচ্ছেটাই হয়নি আজ। এখনও হচ্ছে না। তার থেকে বরং ছুটকিকে ফোন

আজ সকালের আমন্ত্রণে..





ভোরবেলায় হাঁটতে বেরিয়ে নিচে গেটের কাছে আটকে গেলাম, কোলাপ্‌সিবলে তালা আটকানো। রোজই থাকে, আমার ভদ্রলোকটি বাড়িতে থাকলে তার পকেট থেকে চাবি নিয়ে আমি বেরিয়ে যাই, ক’দিন ভদ্রলোকটি বাড়িতে নেই কাজেই ভরসা দোতলার সিদ্ধার্থবাবু। পাঁচটা কুড়ি নাগাদ তালা খুলে মৌকে সঙ্গে নিয়ে বাইকে করে বেরিয়ে যান, বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রাতঃভ্রমণের উদ্দ্যেশ্যে। আজ কোনো কারণে তিনি বেরোননি, হয়তো বাড়িতেই নেই। গোগোলের উচ্চ

মনমাঝি তোর বৈঠা নে রে, আমি আর বাইতে পারলাম না

মাঝে মাঝেই ঘর হইতে শুধু দুই পা ফেলবার জন্যে প্রাণ যখন আই-ঢাঁই কত্তে শুরু করে আমরা তখন বেরিয়ে পড়ি। এথায়-সেথায়, হেথায় বা হোথায়। এমনি এক দুপুরে ঠান্ডা মেশিনের হাওয়ায় যখন আমার খুব ঠান্ডা লাগতে থাকে আর পাখার বাতাসের অল্প গরম হাওয়ায় তার খুব গরম লাগে তখন আমরা বেরিয়ে পড়ি। কোথায় যাই? দিদিমনির কল্যাণে শহর স্তব্ধ। গাড়িও নাই ঘোড়া তো নাই ই। গ্রাম ছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ ডাকছে বুকের ভেতরে

আমি বরং ব্লগ লিখি..



একদিন একরাত টানা ঘুমিয়ে আর তারপর গত দিনটিও আধো ঘুম আর জাগরণের মধ্যে কাটিয়ে গতরাতটি কাটল প্রায় নির্ঘুম। বহু বহুদিন নাকি বহু বহু কাল, কতদিন, কতকাল পর এমন বেভুল ঘুম সে আমার মনেও নেই আর তারপর এই চেনা জেগে থাকা। এই জেগে থাকাটাই নিত্যকার রুটিন কাজেই এ নিয়ে চিন্তা নেই। আমি বরং ব্লগ লিখি.. 



দীপান্বিতার রাত, কালো রাত আলোয় আলোয় ঝকমক ঝকমক। নানারকমের বাজি ফাটছে মুহুর্মুহু, বাড়িগুলো সেজে আছে আলোর মালায়,

অদ্ভুত আঁধার এক..


গতকাল একটা অদ্ভুত দিন গেল..মাথাটা কী রকম ফাঁকা, কী রকমও নয়, একদম ফাঁকা..ঠিক যেমম ফাঁকা ছিল টানা সতেরোটা বছর..আচ্ছা, সতেরো বছর কাকে বলে তুমি কী জানো?কোনো ভাবনা নেই..চিন্তা নেই..একদম ফাঁকা ..খালি..শূণ্য..অভ্যেসসশত দৈনন্দিন কাজ সব করে যাই একের পর এক, সেই আগের মতো।যখন আমি অবসাদের ওষুধ খেয়ে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ফাঁকা মাথায় শুধু অভ্যেসবশে করে যেতাম একের পর খুঁটিনাটি সব কাজ,

তুমি এলে না বলে..


আজ আমাদের ঈদ নয়
আজ ইদ। কাল সন্ধেবেলায় ছাদের উপর থেকে চাঁদও দেখলাম। বহু বছর পরে। প্রতিবারেই তো সেই রাত এগারোটার পরে মসজিদ থেকে বলে দেওয়া হয়, অমুক জায়গায় চাঁদ দেখা গেছে, অতএব কাল ঈদ! মসজিদে মসজিদে তার বহু আগেই যদিও সারা হয়ে গিয়ে থাকে তারাবির নামাজ। কিন্তু কাল চাঁদ দেখা গেল আর আমিও দেখলাম। ঝকঝকে আকাশে একফালি চাঁদ। ঈদের চাঁদ। লোডশেডিংএর নীরবতায় দূরের মসজিদ থেকে মাইকের আওয়াজে ভেসে এল পরদিনের নামাজের

মোর ঘুমো ঘোরে গেলে মনোহর..



টিউবর্গ ও ড্রিংক ইন্ডিয়া



তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে ক'দিন। ক'দিন হলো? দু-তিন হবে বোধ হয়। হুঁ। পরশুর আগের দিন মানে তরশু দুপুর থেকে হু হু বাতাস। ঠান্ডা। শিরশিরে। তারপর বোধ হয় রাত থেকে শুরু হল। পরদিন ভোররাতে সে চলে যাবে। চেষ্টা করেও তাড়াতাড়ি ঘুমুনো গেল না। ড্রিংক ইন্ডিয়া, টিউবর্গ আর শুভজিত। এগারোটা বেজে গেলে আমাদের গেটে তালা পড়ে যায় মাসুদ-কাঁকনের বাড়ির মত। এখানে কোনো সাগর নেই, যার বাড়িতে এমন সব রাতে
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks