Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
Showing posts with label স্বাস্থ্য টিপিস. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য টিপিস. Show all posts

ভেষজ বা হারবাল চিকিৎসা রোগ মুক্তির প্রাচীন পদ্ধতি


একটা জিনিস ভাবুন তো, পুরানো আমলে তো চিকিৎসা ব্যবস্থা এত উন্নত ছিল না। তখন মানুষ কি দিয়ে চিকিৎসা করতেন নিজেদের? হ্যাঁ, তখন চিকিৎসা হতো ভেষজ বা হারবাল উপায়ে। এই ভেষজ চিকিৎসা একদিকে যেমন নিরাপদ, তেমনই সহজলভ্য আর নিরাময় ক্ষমতা সম্পন্ন।

সহজলভ্যভেষজ চিকিৎসা রোগ মুক্তির জন্যঅতি প্রাচীনকাল হতেই চলে আচ্ছে। অসুখবিসুখ তো প্রত্যেকদিন লেগেআছে কারো না কারো। সেইসাথে লেগে আছে কেটে- ছিলে যাওয়া, পুড়ে যাওয়ার মতননানান রকম দুর্ঘটনা।সব কিছুর ক্ষেত্রে কিআর ডাক্তারের কাছে যাওয়া যায়? অনেক অসুখ বিসুখ আছে, যাদের চিকিৎসা শতভাগ ঘরোয়া ভাবেইসহজলভ্য ভেষজ চিকিৎসা দিয়েসম্ভব। আসুন, জেনে নেই কয়েকটি সহজলভ্য ভেষজ চিকিৎসা সম্পর্কে।


১) পেট ফাঁপা কেবল বাচ্চাদের নয়, বড়দেরও অসুখ। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভালো হবে।

২) শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছেরপাতা ও ছাল একসঙ্গেসেদ্ধ করে বেটে মধুমিশিয়ে খেতে হবে রোজকমপক্ষে একবার। নিয়মিতসেবনে কষ্ট নিরাময় হবে।

৩) দাঁত ব্যথা করছে খুব? একটি পেয়ারার পাতা নিয়ে ভালো করে চিবাতে থাকুন। চিবিয়ে রস বের করে নিন। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।

৪) অনেকেরই গায়ে প্রচণ্ড ঘামেরদুর্গন্ধ হয়। গানা হলেও পায়ে তোহয়য়ই। বেলপাতার রস পানির সঙ্গেমিশিয়ে আক্রান্ত স্থান মুছুন কয়েকদিন। নিরাময়হবে।

৫) নাক দিয়ে রক্ত পড়লে ডাবের পানি রোজ খাওয়া উচিত। এর সঙ্গে খালি পেটে নারকেল খেলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

৬) পেটে কৃমির সমস্যাখুব যন্ত্রণাদায়ক। বাচ্চাদেরজন্য তো অবশ্যই।তেঁতুল পাতার রস সামান্যপানিতে মিশিয়ে খেলে কৃমির সমস্যাদূর হয়। পেটেরকৃমি দূর করতে প্রতিদিনসকালে নাস্তার পর এক চামচনারকেল খেতে পারেন।এতে পেটের কৃমি দূরহয়ে যাবে।

৭) মুখে উঠেছে ব্রণ? একটু খানি লবঙ্গ বাটা লাগিয়ে দিন ক্ষত স্থানে। দ্রুত মিলিয়ে যাবে, আবার দাগও থাকবে না।

৮) অজীর্ণ রোগে বা বদহজমে নিমের ছাল আদর্শ ওষুধ। ৪/৫ গ্রাম নিমের ছাল এককাপ গরম পানিতে একরাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সেই পানি ছেঁকে খালি পেটে খেলে অজীর্ণ সেরে যাবে।

৯) যেসব মায়েরা সন্তানকেপর্যাপ্ত পরিমাণ দুধ খাওয়াতেপারেন না তাদের জন্যেকলমি শাক দারুণ উপকারী। কলমিশাক বেটে ১/২চামচ রস ঘি দিয়েসাঁতলে নিয়ে দিনে দুবারসকালে ও বিকালে খেলেমায়ের দুধ বাড়বে।কলমি শাকের ভাজা খেলেতাতে কিন্তু কাজ হবেনা।

১০) যে সব শিশু রাতে না ঘুমিয়ে ছটফট বা কান্নাকাটি করে তারা সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগে। এদেরও অল্প গরম দুধের সাথে (গরুর দুধ) ২০/২৫ ফোঁটা কলমির রস খাওয়ালে এদের কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যাবে। তবে, শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে খাওয়ানো ভালো।


১১) লিভার বা যকৃতেরব্যথা সারাতেও নিম এক নম্বর। ১গ্রাম নিমের ছাল, ১/২ গ্রাম কাঁচাহলুদ ও ১ গ্রামখানিক শুকনো আমলকির গুঁড়োরসাথে মিশিয়ে খালি পেটে খেলেএক সপ্তাহের মধ্যে ব্যথা দূরহয়ে যাবে।


১২) ঠোঁটের দু’পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।

জানুন তারুণ্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আমরা সবাই চাই তারুণ্য ধরে রাখতে। তারুণ্য ধরে রাখতে শারীরিক ব্যায়াম যতোটা জরুরি, ঠিক ততোটাই গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ব্যায়াম। কিছু প্রয়োজনীয় বিষয় খেয়াল করে আপনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেন একজন চির তরুণ হিসেবে।
সুস্থ থাকার উপায়

গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর মনের ব্যায়াম ও তারুণ্য ধরে রাখার কিছু কার্যবলি এখানে তুলে ধরা হলঃ
খাবার তালিকায় পুষ্টিকর খাবার রাখুনঃ
পুষ্টিকর খাবার আপনার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ ঠিক রেখে তারুণ্য ধরে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কম চর্বিযুক্ত খাবার, অধিক আঁশযুক্ত খবার, ফলমূল ও শাকসবজি খাবার তালিকায় বেশি রাখুন। সুষম খাবার খান আর চিরতারুণ্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ উপভোগ করুন।
বিভিন্ন মানসিক চ্যালেঞ্জ গ্রহনঃ
মানসিক স্বাস্থ ঠিক রাখতে মনকে কাজে ব্যস্ত রাখার কোন বিকল্প নেই। ছোট বেলায় আমারা নানান খেলার ছলে মন কে ব্যস্ত রাখতাম। বড় হওয়ার সাথে সাথে আমাদের নানাবিধ মানসিক চাপ বেড়েছে। এতে মানসিক স্বাস্থ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
মন কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলে আমাদের ব্রেনে নরঅ্যাড্রেনালিন হরমোন নামক ক্ষরণ হয় যার ফলে ব্রেনের কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়। তাই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ গ্রহনের মাধ্যমে ব্রেনকে সচল রাখুন।
 শারীরিক পরিশ্রমঃ
শারীরিক পরিশ্রম ব্রেনের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে যা আপনাকে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে। শ্রম হার্টবিট বাড়ায় ও শরীর হতে ঘাম বের করে আপনার মানসিক কার্যকারিতা বাড়ায় কেননা এর ফলে ব্রেনে অধিকহারে রক্ত সঞ্চালিত হয়।
শারীরিক কাজ করার সুযোগ না থাকলে ছোট ছোট শারীরিক ব্যায়াম করুন যেমন জগিং, ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন, সাইক্লিং, সাঁতার কাটুন বা বাগানে কাজ করুন।
পুরনো স্মৃতি রোমন্থনঃ
মনের তারুণ্য ধরে রাখতে ও বার্ধক্য দূরে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে স্মৃতিশক্তি কে সচল রাখা। পুরনো ঘটনা বা স্মৃতি গুলোকে মনে করার চেষ্টা করুন। ছোটবেলার সব বন্ধুদের নাম মনে করার চেষ্টা করতে পারেন। মনে করুন গুরুত্বপূর্ণ কোন সুখময় ঘটনা যেটা প্রায় ভুলে গেছেন। দেখবেন সুখময় ঘটনা মনে করার সাথে সাথে আপনার মনও ভাল হয়ে উঠছে।
মানসিক স্ট্রেস কমানঃ
মানসিক চাপ হচ্ছে মানসিক স্বাস্থের সব চেয়ে বড় বাধা। আধুনিক যুগের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে আমরা নানাবিধ মানসিক চাপে পরি যা আমাদের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। দীর্ঘদিনের চাপ স্মৃতিশক্তি ক্ষতিগ্রস্থ করে ও মানসিক রোগ সৃষ্টি করে। এ থেকে বাঁচতে জীবনকে সহজ ভাবে গ্রহণ করতে হবে। আপনার রেগুলার কাজ হতে কিছু সময়ের বিরতি নিন। মন খারাপ হলে বা মানসিক চাপে থাকলে ভাল লাগার কাজগুলো করুন যেমন পছন্দের গান শুনুন, হাসির মুভি দেখতে পারেন অথবা আড্ডায় মেতে উঠতে পারেন। যা আপনাকে আবার কাজ করতে উৎসাহিত করবে।
জীবন যেহেতু আপনার নিজের তাই একে ভালোবেসে গড়ে তুলুন আপন আলোয়। আর বয়স যাইহোক মনে থাকুন চির তরুণ।
Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks